ঢাকা শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৩১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৭ জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

বিভাগসমূহ
আন্ত:ক্যাডার বৈষম্য নিরসনের দাবিতে

পঞ্চগড়ে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের সংবাদ সম্মেলন

পঞ্চগড় প্রতিনিধি || ৫:৪৩ অপরাহ্ণ ॥ সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৩

পদসৃজন, পদোন্নতি, স্কেল আপগ্রেডেশন, ক্যাডার কম্পোজিশনের সুরক্ষা, শিক্ষা ক্যাডার বহির্ভ‚তদের প্রত্যাহারসহ আন্তঃ ক্যাডার বৈষম্য নিরসনসহ বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের ন্যায্য দাবিসমূহ আদায়ের দাবি জানিয়েছে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি পঞ্চগড় জেলা ইউনিট। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে পঞ্চগড় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি পঞ্চগড় জেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক ও পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান খাদেমুল ইসলাম এই দাবি জানান। এসব দাবি মানা না হলে আগামী ২ অক্টোবর একদিনের কর্মবিরতি ও ১০ থেকে ১২ অক্টোবর টানা তিন দিনের কর্মবিরতি পালনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সভাপতি ও পঞ্চগড় মকবুলার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর দেলওয়ার হোসেন প্রধান ও পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর লুৎফর রহমান প্রধান সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সমিতি এসব দাবি নিয়ে আন্দোলন করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী সকল ক্যাডারের জন্য সুপারনিউমারারি পদে পদোন্নতি দিয়ে ক্যাডার বৈষম্য ও আন্ত:ক্যাডার বৈষম্য নিরসনের নির্দেশ দিয়েছেন একাধিবার। কিন্তু সে নির্দেশনা মানা হচ্ছে না। শিক্ষক সঙ্কটে শিক্ষার মান ক্রমাগত ব্যহত হচ্ছে জানিয়ে সমিতির সভাপতি বলেন, শিক্ষক সঙ্কট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। পদ সৃজন না হওয়ায় শিক্ষক নিয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ শিক্ষকরাই গড়ে তুলবেন। কিন্তু তাদের প্রাপ্য সম্মান, অধিকার যদি না দেওয়া যায় তাহলে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব না। পদসৃজন করেন, পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দেন। পদোন্নতির জন্য আমাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়। পদসৃজন না হওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের ১২ হাজার ৪৪৪টি পদসৃজন ৯ বছর ধরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এ সময় পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ নাজির হোসেন, মকবুলার রহমান সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারি অধ্যাপক এহতেশামুল হকসহ বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Print Friendly, PDF & Email