‘এপস্টেইন ফাইলস’- এ নাম রয়েছে ট্রাম্পের: মাস্কের বিস্ফোরক দাবি

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বিলিয়নেয়ার ইলন মাস্কের মধ্যকার সম্পর্কটা মোটেও ভালো যাচ্ছে না। এর মধ্যেই উভয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘তর্কযুদ্ধে’ জড়িয়েছেন। বৃহস্পতিবার ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে সরকারি খরচ কমানোর জন্য ইলন মাস্কের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিলের কথা উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। এর জবাবে এবার ট্রাম্পকে নিয়ে এক বিস্ফোরক দাবি করে বসলেন এই বিলিয়নেয়ার।

বৃহস্পতিবার (৫ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে মাস্ক লেখেন, বড় বোমা ফাটানোর সময় এসেছে: এপস্টেইন ফাইলস এ ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম রয়েছে। এ কারণেই সেগুলোকে জনগণের সামনে আনা হচ্ছে না। ভালো দিন কাটুক ডিজেটি (ট্রাম্প মিডিয়া অ্যান্ড টেকনোলজি গ্রুপ)!

মাস্কের এই পোস্টের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করছেন।

প্রেসিডেন্ট পদে লড়বার সময় ট্রাম্প প্রয়াত ধনকুবের জেফ্রি এপস্টেইন এর যৌন অপরাধ সংক্রান্ত মামলার নথিপত্র প্রকাশের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি ওই মামলা সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি নতুন নথি প্রকাশ করলেও সেগুলোতে এপস্টেইন এর বিষয়ে গুরুতর কোনো অপরাধের কথা উল্লেখ ছিল না।

যৌন অপরাধের উদ্দেশে পাচারে অভিযোগে এপস্টেইনকে ২০১৯ সালে গ্রেফতার করা হয়। শুনানির অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় এই ধনকুবের আত্মহত্যা করেন। ওই সময় নিজের প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে ছিলেন ট্রাম্প।

এদিকে ট্রাম্প মাস্কের সঙ্গে সব সরকারি চুক্তি বাতিলের কথা তোলার পরপরই এক্স-এ দেওয়া আরেক পোস্টে তাৎক্ষণিকভাবে ড্রাগন স্পেসক্রাফট ডিকমিশন করার ঘোষণা দিয়েছেন ইলন মাস্ক।

মাস্কের এই সিদ্ধান্ত এখন আমেরিকান প্রশাসন এখন কীভাবে নেবে সেটাই দেখার বিষয়। কারণ ড্রাগন স্পেসক্রাফটই একমাত্র মাহাকাশযান যেটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নভোচারী আনা-নেওয়ায় সক্ষম।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *