দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন আমেরিকায় অবৈধ অভিবাসন নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বদলে গিয়েছে সে দেশের অভিবাসন নীতি। ইতিমধ্যে কয়েক শো ‘অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীকে’ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।
এবার ভারতীয় ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর কর্ণধার এবং শীর্ষ আধিকারিকদের ওপরেও ভিসা নিষেধাজ্ঞা চাপাল আমেরিকা। এই সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে আমেরিকায় অবৈধ অভিবাসন প্রচারের অভিযোগ রয়েছে।
মার্কিন স্বরাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, আমাদের দূতাবাস এবং উপদূতাবাসগুলো প্রতিদিন কাজ করে অবৈধ অভিবাসন, মানব পাচার এবং পাচারের কাজে সহায়তাকারী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে। আরও বলা হয়েছে, ভারতে অবস্থিত এবং পরিচালিত ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর মালিক, নির্বাহী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ওপর ভিসা বিধিনিষেধ আরোপের পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।
মার্কিন স্বরাষ্ট্র দপ্তর স্পষ্ট করেছে, এরাই সে দেশের অবৈধ অনুপ্রবেশের জন্য দায়ী। মন্ত্রক স্পষ্ট করে জানিয়েছে, আমেরিকা এই ধরনের সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমাদের অভিবাসন নীতির লক্ষ্য কেবল বিদেশি নাগরিকদের অবৈধ অভিবাসনের বিপদ সম্পর্কে সচেতন করা নয়, বরং যারা আইন লঙ্ঘন করে তাদের জবাবদিহি করা। আইনের শাসন বজায় রাখতে এবং আমেরিকানদের সুরক্ষার জন্য মার্কিন অভিবাসন আইন ও নীতিমালা কার্যকর করা গুরুত্বপূর্ণ।
