ঢাকা শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৩১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৭ জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

বিভাগসমূহ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

|| ৬:৩৯ অপরাহ্ণ ॥ সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৩

গত ১৩.০৯.২০২৩ ইং তারিখ একটি জাতীয় পত্রিকায় “ভালুকা ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফার বিরুদ্ধে হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ” শিরোনামে একটি প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন ইঞ্জিনিয়ার মোঃ গোলাম মোস্তফা। যা তার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সংবাদটি একপেশি, মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্রমূলক। এ মিথ্যা সংবাদটির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ জাতীয় সংবাদ শুধু হলুদ সাংবাদিকরাই প্রকাশ করতে পারেন। আমি সার্বক্ষণিক ভালুকা সদরে অবস্থান করার পরও প্রতিবেদক আমার বক্তব্য ছাড়াই সংবাদটি প্রকাশ করেছেন। যা অত্যন্ত আপত্তিকর। এ জাতীয় মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশকারী প্রতিবেকের জ্ঞান যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। এ জাতীয় বিতর্কিত সাংবাদিক নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট গণমধ্যমে আরও সচেতন হওয়া দরকার।
প্রকৃত ঘটনা হলো আতিকুর রহমান আমার ছোট ভাই। আমি চাকরি করার সুবাদে দেশের বিভিন্ন জেলায় কর্মরত ছিলাম। আমার জায়গায় জমি দেকবাল করার জন্য আমার ছোট ভাই আতিকুর রহমানকে আমার ক্রয় করা বাসাসহ জমিতে থাকাতে দেই। আমার বাসায় থেকে মল্লিকবাড়ি বাজারের আমার তিনটি দোকান এবং এশটি বাসারভাড়া টাকা প্রতি মাসে ১৪০০০টাকা করে বিগত ৩০বছর উত্তোলন করে খায়। সেই বাসায় থেকে আমার বাবাকে দাতা দেখিয়ে একটি ভুয়া হেবা দলিল বানিয়ে আমার বাসা বাড়ি দখলের পায়তারা করছে। এবং আমার বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ ও আদালতে জমি সংক্রান্ত মামলা করেছে।
ভায়াবহ মৌজাস্থিত ৯৮ আর,ও,আর খতিয়ান ভূক্ত সাবেক ১২৮ নং দাগে মাতাব উদ্দিন এর স্ত্রী রাহেলা খাতুন এর কাছ থেকে ৮৬ শতাংশ জমি এরয়াজ দলিল মূলে প্রাপ্ত হয়ে ১৯৯২ সালে একটি একতলা পাকা বাড়ি নির্মাণ করি। এ ছাড়াও সেই জমিতে বিদ্যুৎ সংযোগসহ একটি মাটির দেয়াল বিশিষ্ট টিনের ঘর, একটি রান্না ঘর, একটি মটরসহ টিউবওয়েল রয়েছে। এ ছাড়াও উল্লেখিত খতিয়ানের ওই দাগে তন্ছের আলীর কাছ হতে ১৯৮৮ সালে ৪০,০০০/- টাকার দিয়ে মাটির নির্মিত পুরাতন জরাজীর্ণ টিনের ঘর ক্রয় করি।
পক্ষান্তরে মোঃ আতিকুর রহমান ৯৭ আর.ও.আর খতিয়ান ভূক্ত ১২৮ দাগের ৩২ শতাংশ ভূমির উপর ২০১০ ইং সালে একটি অবৈধ ভুয়া স্বত্তবিহীন প্রতারনামূলক হেবা দলিল করে যার নং ১১৭৮০। অতি গোপনীয়ভাবে অপকৌশলে জাল নামজারি পর্চা-জাল খাজনা রশিদ দ্বারা সৃজন করেন।
৯৭ আর.ও.আর খতিয়ান ভূক্ত ১২৮ নং দাগের ভূমিতে কোন ঘর বাড়ি নেই। এই অবস্থায় মোঃ আতিকুর রহমানের উক্ত প্রতারণা মূলক হেবা দলিলের ৩২ শতাংশ ভূমির উপর কোনো প্রকার বৈধতা নাই ।
আতিকুর রহমানের এ জাতীয় প্রতারনা করায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে একটি অভিযোগ দিয়ে গত ১৬/০৫/২০৩ইং তারিখ ভায়বহ মাদ্রাসা বাজর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটি সালিশ হয়। ইউপি চেয়ারম্যান এএইচএম আকরাম হোসেন সালিশে প্রতারণা মূলক হেবা দলিলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানায়। গ্রাম্য সালিশে সিদ্ধান্ত হয়ে আমার ছোট ভাই আতিকুর রহমানকে ৯৭খাতিয়ান থেকে ১৬শতাংশ জমি আমার ভাই বোনেরা দিয়ে দিবো। এবং ১৪/০৭/২০২৩ইং তারিখ আতিকুর রহমান আমার উক্ত বাসা ছেড়ে দিবে। সালিশের সিদ্ধান্ত মোতাবেক পর দিন আমার ১৬শতাংশ জমি ছোট ভাই আতিকুর রহমানকে মেপে বুঝিয়ে দেয়া হয়।
১৭/০৬/২০২৩ ইং তারিখ মাটির ঘরের জরাজির্ণ অতি পুরাতন ঢেউটিন খোলার জন্য একজন মিস্ত্রিকে পাঠাই। মল্লিকাবাড়ি বাজারের রনি মাস্টার মিস্ত্রীকে বাঁধা দেন এবং দুই মাস পর খোলার জন্য অনুরোধ করেন। রনি অনুরোধের ভিত্তিতে পুরাতন ঢেউটিন খোলার কাজ বন্ধ রাখি।
মোঃ আতিকুর রহমান ১০/০৬/২০২৩ ইং তারিখের প্রায় ১ মাস পর ভালুকা মডেল থানায় মিথ্যা ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগ সহ ২০৮ নং সাধারন ডায়েরি (জিডি) করেন। মোঃ আতিকুর রহমান ও তার স্ত্রী হামলা এবং টিনের চাল ভাংচুর হিসাবে অপপ্রচার করে আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। আতিকুর রহমানের কাছ থেকে জোরপূর্বক খালি স্ট্যাম্পে কোনো স্বাক্ষর নেয়া হয়নি। যা মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং ষড়যন্ত্রমূলক।
ভায়াবহ মৌজাস্থিত সাবেক ১২৮ দাগের নিম্নস্বাক্ষরকারীর স্বত্তদখলীয় জমিতে ফৌ,কা,বি ১৪৪ ধারার আওতায় মোকাদ্দমা নং ৯৮৬/২০২৩ এর প্রেক্ষিতে ১০০ শতাংশ ভূমির উপর ১৪৪ ধারাজারি করা হয়। উক্ত চৌহদ্দীর বাইরে কোনো কাজ করা হয় নাই। আমার ঘর না ছাড়ার উদ্দেশ্যে গত ১৩.০৭.২০২৩ইং তারিখ আতিকুর রহমান ময়মনসিংহ আদালতে ১৪৪ধারার একটি মামলা করেন। বিধায় ১৪৪ ধারা ভাঙ্গার অভিযোগটি মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।
০৫/০৯/২০২৩ ইং তারিখ সকাল ভালুকা থানার এস.আই খন্দকার আল-রাজী, এ.এস.আই সোহেল এর উপস্থিতিতে পুনঃরায় মাটির ঘরের অতি জরাজির্ণ অতি পুরাতন ঢেউটিন খোলার কাজ শুরু করা হয়। কিছু অতি পুরাতন ঢেউটিন আংশিক খোলার পর মোঃ আতিকুর রহমান এর বিপদগামী উচ্ছৃঙ্খল মেয়ে লাকী টেলিফোনে অবৈধভাবে বাধা দেয়। এই বিব্রতকর অবস্থায় ভালুকা মডেল থানা কর্তৃপক্ষ ওইদিন রাত ৮.০০ টায় উভয় পক্ষকে নিয়ে থানায় বসে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার সিদ্ধান্ত হয়। এই উচ্ছৃঙ্খল বিপদগামী মেয়ে লাকী রাত ৮.০০ টায় ভালুকা মডেল থানায় উপস্থিত হয়নি।
আমি আতিকুর রহমানের উপর কখনও কোন প্রকার অত্যাচার করি নাই বরং আতিকুর রহমান আমার উপর একাধিক মিথ্যা মামলা/অভিযোগপত্র দাখিল করে আমার ভাবমূর্তি সুনাম ক্ষুন্ন করার পাশাপাশি নজির বিহীন হয়রানী করছে যা কখনও কাম্য হতে পারে না। আতিকুর রহমান এর কোন ছেলে কিংবা নাতি ভায়াবহ এলাকায় থেকে লেখাপড়া করে না। মোঃ আতিকুর রহমান অবৈধভাবে আমার একতলা পাকা ভবন অবস্থান করে সেখানে তার নামে আরেকটি বৈদ্যুতিক মিটার নামানোর চেষ্টা করেন। এতে আমার কাছে প্রতিয়মান হয় আমার একতলা পাকা ভবনটি স্থায়ী ভাবে দখল করার ষড়যন্ত্র করছে। তাই অস্থায়ী ভাবে বৈদ্যুতিক রিজার্জ বন্ধ রাখা হয়।
আমি আমার ৪ভাই ও ১বোনকে ভালুকা পৌরসভায় বাড়ি নির্মাণ করার জন্য এক ত