ওয়াশিংটনে শতাধিক সেনা পাঠাচ্ছে রিপাবলিকান অঙ্গরাজ্যগুলো

মিসিসিপি অঙ্গরাজ্য প্রায় ২০০ ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে পাঠাবে বলে সোমবার জানিয়েছেন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর। তারা সেখানে রিপাবলিকান নেতৃত্বাধীন অন্যান্য অঙ্গরাজ্য থেকে পাঠানো শত শত সেনার সঙ্গে যোগ দেবেন। এর ফলে রাজধানীতে সেনা সদস্যের সংখ্যা দ্বিগুণ হবে।

গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের নির্দেশ দেন।

তিনি এটিকে শহরে অপরাধ দমনের উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। যদিও সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সহিংস অপরাধের ঘটনা বরং কমেছে।
মিসিসিপির গভর্নর টেট রিভস এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমাদের দেশের রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করি। এজন্য আমি ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রায় ২০০ মিসিসিপি ন্যাশনাল গার্ড সেনা মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছি।

এর আগে ওহাইও, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া এবং সাউথ ক্যারোলাইনার গভর্নররা ঘোষণা দিয়েছিলেন, তারা নিজেদের অঙ্গরাজ্য থেকেও সেনা পাঠাবেন। সোমবারের এই ঘোষণাটি সেই ধারাবাহিকতার অংশ। এই মিশনের দায়িত্বে থাকা যৌথ টাস্ক ফোর্সের এক বিবৃতি অনুযায়ী, ওহিও ১৫০ জন এবং দক্ষিণ ক্যারোলিনা প্রায় ২০০ জন, পশ্চিম ভার্জিনিয়া প্রায় ৩৫০ জন সেনা পাঠাবে। তাদের মধ্যে কিছু ইতিমধ্যেই আসতে শুরু করেছে।

তারা ডিসি ন্যাশনাল গার্ডের বাকি ৮০০ সেনার সঙ্গে যোগ দেবেন যারা ইতিমধ্যেই মিশনের জন্য মোতায়েন করা হয়েছে। ওয়াশিংটন থেকে অতিরিক্ত কর্মী পাঠানোর পরিবর্তে কেন অন্যান্য রাজ্য থেকে বাহিনী পাঠানো হচ্ছে তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।

প্রধানত ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে রিপাবলিকান রাজনীতিকরা অভিযোগ তুলেছেন, শহরটি অপরাধে জর্জরিত, গৃহহীন মানুষের সংখ্যা বেড়েছে এবং আর্থিকভাবে অদক্ষভাবে পরিচালিত হচ্ছে। তবে ওয়াশিংটন পুলিশের তথ্য থেকে জানা গেছে, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সহিংস অপরাধের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। যদিও মহামারী পরবর্তী সময়ে তা বৃদ্ধির ফলে ঘটেছে।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *