কট্টর ইসলাম বিদ্বেষী ভারতীয়রা যেনো চুরিতে নাম্বার-১। দেশ ছাপিয়ে বহিঃবিশ্বেও তাদের চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে অহরহ। যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় ডিসকাউন্ট রিটেইল চেইন ‘টার্গেট’-এ চুরির করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন এক ভারতীয় নারী, এমন একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে সম্প্রতি।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি প্রসঙ্গে জানা যায়, ঘটনাটি ঘটেছিল চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে, তবে সম্প্রতি সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় আবারও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ যখন সেই ভারতীয় নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে যায়, তখন সেই নারী কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, আর বারবার কান্নার ফাঁকে বলছিলেন যে তিনি ইংরেজিতে সেভাবে কথা বলতে পারেন না। পুলিশ শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন, “দয়া করে গভীর শ্বাস নিন। আপনি কাঁদতে থাকলে আমাদের পক্ষে কথা বলা সম্ভব হচ্ছে না।”
পুলিশের প্রশ্নে ওই নারী জানান, তার মাতৃভাষা গুজরাটি এবং তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন, তবে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। টার্গেট স্টোরের কর্মীরা আন্তার্জাতিক গণমাধ্যমকে জানান, এই নারী সাধারণত নিয়মিতই দোকানে আসেন এবং কেনাকাটা করেন। কিন্তু এবার তিনি দোকানের বিভিন্ন শেলফ থেকে নানা ধরনের পণ্য একটি কার্টে ভরেন এবং বিল না দিয়েই সেগুলো নিয়ে বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সিসিটিভি ফুটেজে বিষয়টি স্পষ্টভাবে দেখা যায়, যা পরবর্তীতে পুলিশের কাছেও উপস্থাপন করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সেই নারী স্বীকার করেন, এসব পণ্য তিনি পুনরায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়েছিলেন। এ ঘটনাটি আলোচনায় আসার পাশাপাশি নেটিজেনদের স্মরণে এসেছে জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়ের আরেক টার্গেট স্টোরে ঘটে যাওয়া একই ধরনের ঘটনা। সেবারও এক ভারতীয় নারী প্রায় ১১ লাখ রুপির সমমূল্যের পণ্য চুরির চেষ্টার সময় ধরা পড়েন। টানা সাত ঘণ্টা বিভিন্ন পণ্য কার্টে ভরে তিনি স্টোর ছাড়ার চেষ্টা করেন। অবশেষে ধরা পড়ে যান।
সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রলের ঝড় বইছে। কেউ বলছেন “চুরি করতে এসেও নাটক করতে ভোলেননা ভারতীয়রা!”, আবার কেউ বলছেন “স্টোরে না গিয়ে বলিউডে যাওয়া উচিত ছিল এই নারীর।”
